চুলের যত্নে কারিপাতার ব্যাবহার
প্রাচীনকাল থেকেই চুলের যত্নে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে কারি পাতা। এই পাতা ভিটামিনের একটি উৎস। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগাতে এবং চুল বাড়াতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে কারি পাতা। এই পাতার এত উপকারিতা জানা থাকলে চুলে কে না দেবে, বলুন?
কারি পাতা বিটা ক্যারোটিন এবং প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎসব যা চুলের ফলাফল কে শক্তিশালী করে এবং স্বাস্থ্যকর চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি চুলের প্রাকৃতিক রঙ্গন পুনরুদ্ধার এবং বজায় রাখার মাধ্যমে চুলের অকাল পাকা হাওয়া কমায়। চলুন তাহলে কারি পাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।
পেজ সূচিপত্রঃ চুলের যত্নে কারি পাতা ব্যবহার
কারিপাতার গুনাগুন
কারি পাতা বিটা ক্যারোটিন এবং প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস যা চুলের ফলে কলকে শক্তিশালী করে এবং স্বাস্থ্যকর চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি চুলের প্রাকৃতিক রঙ্গন পুনরুদ্ধার এবং বজায় রাখার মাধ্যমে চুলের অকাল পাকা হওয়া কমায়। কারি পাতা গুঁড়ো দিয়ে তৈরি ফ্রেশ মাছ আপনার ত্বককে স্বাস্থ্যকর করতে সাহায্য করতে পারে।
এটিকে এলোভেরা জেল বা এসেনশিয়াল অয়েল এর সাথে মিশিয়ে দ্রুত ফেস মাস্ক তৈরি করা যেতে পারে। কারি পাতা ভিটামিনের একটি উৎস। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মাথার ত্বকের পুষ্টি জোগাতে এবং চুল বাড়াতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে কারি পাতা। এই পাতা এত উপকারী জানা থাকলে চুলে কেনা দেবে বলুন।
কারি পাতার শুধু একটি নয় অনেক গুণ রয়েছে যা চুলের গোড়া থেকে শেষ পর্যন্ত উপকারী জেনে নিন কোন উপায়ে চুলে লাগানো যায় এই পাতা। লম্বা ঘন এবং চকচকে চুল শুধু আকর্ষণ বাড়ায় না এগুলো স্বার্থেরও প্রতীক। আপনার চুলের অপর্যাপ্ত পুষ্টি থাকলে তা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং ভাঙতে শুরু করতে পারে।
প্রোটিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কারি পাতা যেমন চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে, তেমনি খুশকি দূর করতে সহায়তা করে। এই পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি মিলে। এই ভিটামিন অকালে চুল পাকা রোধ করে। কারি পাতার গুণ সমৃদ্ধ অনেক।
আরো পড়ুনঃ ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করুন
চুল দ্রুত লম্বা ও ঘন করতে কারিপাতা
আজকাল অনেকেই চুলকে লম্বা এবং স্বাস্থ্য রূপ করতে বিভিন্ন ব্যবস্থা অবলম্বন করে। এজন্য অনেক ঘরোয়া উপায় এবং প্রাকৃতিক পরীক্ষায় প্রতিকাই পাওয়া যায়, যার মধ্যে একটি হল কারি পাতার ব্যবহার। চুল ঘন ও লম্বা করতে কারি পাতার ব্যবহার খুবই কার্যকরী বলে মনে করা হয়। কারি পাতায় ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। এতে রয়েছে খনিজ ও পুষ্টি উপাদান যা চুলকে মজবুত করতে সাহায্য করে।
কারি পাতায় পাওয়া বিটা ক্যারোটিন এবং প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট চুলের বৃদ্ধি বাড়ায় এবং চুল মজবুত করে সাথে লম্বা করতেও সাহায্য করে। যার ফলে চুল ভেঙ্গে যাওয়া রোধ করে। কারি পাতায় উপস্থিত খনিজ ও পুষ্টি উপাদান চুলকে নরম ও ঝলমলে করতে সাহায্য করে।
এই কৌশল হলে অবলম্বন করে আপনি আপনার চুলকে স্বাস্থ্যকর, লম্বা এবং চকচকে করতে পারেন। মনে রাখবেন যে প্রতিটি ব্যক্তির চুলের প্রকৃতি আলাদা, তাই আপনার চুলের চাহিদা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। সঠিক নিয়মে চুলের যত্ন নিলে চুল লম্বা ও মজবুত হয়।
লম্বা, ঘন এবং চকচকে চুল শুধু আকর্ষণ বাড়ায় না, এগুলো স্বাস্থ্যেরও প্রতীক। আপনার চুলের অপর্যাপ্ত পুষ্টি থাকলে তা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং ভাঙতে শুরু করতে পারে। চুল ও যত্নের কারণেও অনেক ঝরে পড়তে পারে। তাই সঠিক নিয়মে চুলের যত্ন নিন। কারি পাতাতে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা কিনা খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। কারি পাতার বেটে তার সাথে সমপরিমাণ টক দই মিশান। এবার এই মাস্ক টি মাথার তালুতে লাগিয়ে কিছুক্ষণ মেসেজ করুন।
খুশকি দূর করতে কারিপাতা
কারি পাতাতে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা কিনা খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। কারি পাতার বেটে তার সাথে সমপরিমাণ টক দই মিশান। এবার এই মাস্ক টি মাথার তালুতে লাগিয়ে কিছুক্ষণ মেসেজ করুন। এরপর আস্ত পক্ষে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি দূর করতে জাদুর মত কাজ করবে এই মাস্ক টি।
আপনার চুলের অপর্যাপ্ত পুষ্টি থাকলে তা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং ভাঙতে শুরু করতে পারে। অতএব সঠিক যত্ন নেওয়া এবং চুলের প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টি দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খুশকি চুলের গোড়া এবং মাথার ত্বক নষ্ট করে দেয়। তাই সঠিক নিয়মে খুশকি দূর করতে কারি পাতা ব্যবহার করুন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পাতা। যা ব্যবহারের ফলে খুশকি দূর হবে।
কারি পাতা শুধু চুলের খুশকি নয় চুল মজবুত এবং লম্বা করতে সাহায্য করে। চুল ঘন ও লম্বা করতে কারি পাতার ব্যবহার খুবই কার্যকরী বলে মনে করা হয়। এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা চুলে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে তার মধ্যে কারি পাতা একটি উপাদান।
আরো পড়ুনঃ ঘরোয়া উপায় যেভাবে চুলের যত্ন নিবেন
হেয়ার টনিক হিসেবে কারিপাতা
উচ্চমাত্রায় এমিনো এসিড থাকায় চুল শক্ত করতে ও সিল্কি করতে কারি পাতার কোন তুলনা নেই। একটি প্যানে নারিকেল তেল দিয়ে তাতে কারি পাতা মেশান। এরপর তা গরম হলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এবার মিশ্রণটি হিয়ার টনিক হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
শুধু কারি পাতা বেটে চুলে লাগালেও পাবেন ঝলমলে চুল। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এই পাক শুষ্ক চুলকে করে তোলে দীপ্তিময় ও প্রাণবন্ত। কারি পাতায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং বি এর সন্ধান পাওয়া যায়। এছাড়াও কারি পাতায় রয়েছে উপকারে প্রোটিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। স্কেলপের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে এই উপাদান গুলি।
স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং চুলের ফলিকল কেউ করে কারি কথা তাই চুলের বৃদ্ধি থমকে থাকে না। এছাড়াও কারি পাতায় অ্যামিনো এসিড পাওয়া যায় যার চুলের জেল্লা হয় দেখার মত। হেয়ার টনিক ব্যবহার করলে চুল হয় মসৃণ ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল।
হেয়ার টনিক ব্যবহারের ফলে মাথার ত্বক এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়। ঘরোয়া উপায়ে হেয়ার টনিক বানানো যায় কিংবা বাজারেও কিনতে পাওয়া যায়। যা ব্যবহারে চুলকে করে তোলে মসৃণ ও স্বাস্থ্যজ্জল।
চুল পড়া ও চুল পাকা রোধে কারিপাতা
চুল পড়া রোধে কারি পাতা ভিটামিন, প্রোটিন আর পুষ্টিগুণে ভরপুর। তাই এই পাতা চুলের গোড়া শক্ত করে চুল পড়া কমায়।১০-১৫ টি কারি পাতা বেটি এর সাথে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে চুলে লাগান। এই পেস্ট টি কমপক্ষে এক ঘন্টা রাখুন মাথায়। এরপর অবশ্যই শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধ্রুতে ভুলবেন না। চুল পড়া বন্ধ করতে এই হেয়ার প্যাকটি বিস্ময়কর ভাবে কাজ করে।
বয়স থাকতেই চুলে কারি পাতা লাগাতে শুরু করুন। এতে আপনার চুল পড়া রোধ হবে। কারি পাতার সাথে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে পুরো চুলে মেখে রাখলে তা আপনার চুল কালো রাখবে। চুল স্বাস্থ্যকর থাকার পাশাপাশি এই ব্যক্তি কিন্তু আপনার বয়স ধরে রাখত সাহায্য করবে।
চুল পড়ার সমস্যা যেন বারোমাসও হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্যাম্পু করলে চুল পড়ছে রোধে কিংবা খুলে রাখলেও একই রকম অবস্থা। দূষণের বাড়ন্ত, খাওয়া দাওয়ার অনিয়ম, মানসিক চাপের জন্য চুল পড়া সমস্যা বাড়ছে। তাই চুল পড়া রোধ করতে অবশ্যই কারি পাতার গুণাগুণ অতুলনীয়।
এই পাতার গুনে ই চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং চুল পড়া সমস্যা ও কমে। কারি পাতায় ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা চলে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে রয়েছে খনিজ ও পুষ্টি উপাদান রাসুল কে মজবুত করতে সাহায্য করে। চুল পড়া রোধে অবশ্যই কারি পাতা ব্যবহার করা অপরিহার্য।
হেয়ার মাস্ক হিসেবে কারিপাতা
একটি পাত্রে এক মুঠো কারি পাতা নিন। এর সঙ্গে ৩-৪ টেবিল চামচ টক দই মেশান। কারিপাতা এবং টক দই ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। আপনার হিয়ার মাস তৈরি। এটি আপনার চুল এবং স্কেলপে লাগিয়ে নিন। ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করুন। অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, শ্যাম্পু করার সময় পানি যেন ঠান্ডা হয়।
সাথে কারি পাতার হেয়ার টনিক ও ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার চুলে আর্দ্রতার ঘাটতি পূরণ করবে। নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে বানান এই হেয়ার টনিক। চুলের গোড়া মজবুত করতে ম্যাজিকের মত কাজ করবে এই হেয়ার টনিক। বিশেষ করে নারিকেল তেল। নারিকেল তেল চুলের জন্য খুবই উপকারী।
একটি পাত্রে নারিকেল তেল নিন। হালকা আছে গরম করুন। এর মধ্যে এক মুঠো কারিপাতা মিশিয়ে দিন। তেল গরম হলে রং বদলাতে থাকবে। কিছুক্ষণ পরে আজ বন্ধ করে নামিয়ে নিন পাত্রটি। ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ছেকে নিন। এবার একটি কাজের স্প্রে বোতলে রেখে ব্যবহার করুন।
এভাবে সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন এই হেয়ার টনিক ব্যবহার করতে পারেন আপনি। এতে আপনার চুলের আদ্রতার ঘাটতি পূরণ করবে। চুল হবে মসৃণ ও স্বাস্থ্যউজ্জ্বল। হিয়ার মাস্ক হিসেবে কারি পাতা বিশেষভাবে কাজ করে। তাই এর মাস্ক কারি পাতা ব্যবহার করা অত্যন্ত কার্য কারি।
আরো পড়ুনঃ ভালো ঘুমের জন্য মেলাটোনিন হরমোন কিভাবে বাড়ানো যায়
কারিপাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য
আজকাল অনেকেই চুলকে লম্বা এবং স্বাস্থ্যকর করতে বিভিন্ন ব্যবস্থা অবলম্বন করে। এজন্য অনেক ঘরোয়া উপায় এবং প্রাকৃতিক প্রতিকাই পাওয়া যায় যার মধ্যে একটি হল কারি পাতার ব্যবহার। কারি পাতা ছাড়াও আরো কিছু উপাদান আছে যেগুলো চুলের জন্য খুবই উপকারী যেমনঃ আমলকি, মেথি, পেঁয়াজের রস, টক দই, জবা ফুল ইত্যাদি।
আমলকি ও কারি পাতাঃ আমলকি ছোট ছোট টুকরো করে কেটে মিক্সার পেস্ট করুন। এতে এক মুঠো কারি পাতা ও সামান্য জল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই পেজটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে দুই ঘন্টা রেখে দিন। তারপর ভালোভাবে শ্যাম্পু করুন।
মেথি ও কারি পাতাঃ ৪ চা চামচ মেথি দানা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে মিক্সারে রেখে পেস্ট বানিয়ে নিন। এক মুঠো কারি পাতা নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পু করার এক ঘন্টা আগে চুলে লাগিয়ে তারপর ধুয়ে ফেলুন। অবশ্যই পানির ঠান্ডা হতে হবে।
পেঁয়াজের রস ও কারি পাতাঃ চুল পড়া বন্ধ করতে পেঁয়াজ ও কারি পাতার মিশ্রণ দারুন কাজে আসে। এই মিশ্রণটি চুলে পাক ধরা আটকাতেও বেশ উপযোগী।১৫-২০ টি কারি পাতা একটি মিক্সারে ব্লেন্ড করে নিয়ে ভালো করে বেটে নিন। এবার পেস্টে দিয়ে দিন একটি গোটা পেঁয়াজের রস। ভালো করে মিশিয়ে চুল ও মাথায় মেখে নিন। এক ঘন্টা রেখে ভালো করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।
টক দই ও কারি পাতাঃ এক মুঠো কারি পাতা মিক্সারে নিয়ে ভালো করে পেস্ট তৈরি করুন। এক টেবিল চামচ কারি পাতার মিশ্রণের আগে থেকে ফেটিয়ে রাখুন টক দই। টক দইয়ের সঙ্গে কারি পাতার পেস্ট ভালোভাবে মিক্সড করে নিতে হবে। মাথার ত্বকে ভালো করে মেখে নিন এই মিশ্রণটি। আধঘন্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। টক দই মাথার ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে এবং খুশকি ও মৃত কোষ দূর করতে এই প্যাক দারুণ কাজে আসে। চুলে প্রতিদিন কারই পাতা ব্যবহার করা যায়?
কারিপাতা সমন্ধিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
চুলে প্রতিদিন কারই পাতা ব্যবহার করা যায়?
কারি পাতার হিয়ার মাস সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহার করুন। হেয়ার টনিক ২ থেকে ৩ দিন ব্যবহার করতে পারেন
কারি পাতা হেয়ার গ্রোথে সাহায্য করে?
চুলের সুস্বাস্থ্য ধরে রাখে। আপনার হেয়ার ফলিকল মজবুত রাখতেও সাহায্য করে।
কারা ব্যবহার করবেন না?
স্কেলপে কোন সমস্যা থাকলে বা আপনার চুলের কোন চিকিৎসা চললে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করবেন না।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url